সর্বশেষ প্রকাশিত

তবুও

তবুও

আমি যদি এই বিষ হৃদয়ে না রাখতেই পারিতবে কেন বার বার আকণ্ঠ পান করছি তারেযেন বৃষ্টিবেলা শেষে মেঘ গুটিয়েছে তাড়াতাড়িগ্রহণের পার থেকে ছেড়ে চলে গ্যাছে প্রতিবারে অন্ধকার মনে হয়—সবকিছু গাঢ় হয়ে আসেআরাধ্য নদীর নাম, মুছে যায় পলির আকরেযেমন উপড়ে ফেলে মুথা ঘাস খুব...

পাথর এক

পাথর এক

কোথাও পাথর এক, বুকজুড়ে নিয়ত নিশ্বাসআরও গভীর হয়, আরও অর্থহীন গহ্বরে–ডুবে যায়, যেন এক অন্ধকার সকলের বুকেবারবার ফিরে আসে–দ্বিধা ও অস্বস্তি ভালোবেসেহাতের স্পর্শে যেনবা সেইসব ছায়া পড়ে থাকেশূন্যতার তীররেখা ধরে ফিরে আসে কেউ বুঝিবুঝি এমন...

মৃত এই শহরে

মৃত এই শহরে

কোন কোনদিন আসে, এই শহর হৃদয়হীন―হয়ে পড়ে। ধূলো ওড়া পথে আমাদের নামগুলোশীতের পাতার মতো ঝরতে থাকে। শরীরে স্বেদআর বিপুল অস্বস্তি নিয়ে হাঁটি শেষ দিনগুলো। নতুন বছর আসে― বুড়িগঙ্গা মরে যায় কেন?কে তাকে নাম দিয়েছে?শহরে বাড়ছে উদ্বাস্তুরাএই পাতাহীন গাছ কোন শর্তে...

বেহাগের সুর

বেহাগের সুর

করস্পর্শে তুলে নাও যেন তুমুল ছায়ার বন কখনোবা প্রিয় সুর আঙুলের স্পর্শে স্পর্শে নাচে সকল অনঘ রূপে হয়ে ওঠো অলীক প্রবণ ফিরে আসে তোমারই নামে—গভীর সমুদ্র সেঁচে কখনোবা ভালোবাসো—কখনোবা কান্না তুলে নাও নক্ষত্র উজানে নাচে সেইসব সহজের ভাষা নিজের জীবন থেকে...

অনুভব

অনুভব

যতটা সময় কাছে ধরে রাখো মেঘ আকাশে জমেনি কালপুরুষের ছায়া ক্ষয়াটে চাঁদে হাওয়ার থেমেছে বেগ বিন্দু বিন্দু তোমাকে খুঁজতে চাওয়া অথচ শহরে ধূলি ওড়ে সাদা সাদা শীত এসেছে নিশ্বাসে হিম ছোঁয়া প্রতি সকালে সূর্য ভাঙেনা পর্দা ঘুমচোখ জুড়ে ধরে রাখো কা’র মায়া...

বরং দূরে থাকা ভালো

বরং দূরে থাকা ভালো

বরং দূরে থাকা ভালো– নিজেকে গুটিয়ে রাখা সবকিছু থেকে চির বিলয়ের সন্ধ্যায় তবু আকাশ চমকালো উড়েছি ভিন্ন ভিন্ন আলোয় প্রত্যেকে। এভাবেই ভেঙে পড়ে রোদ মোহ ভাঙে দূরগামী মেঘে বৃষ্টিও চলে গ্যাছে, রেখে প্রবল বিরোধ হাওয়ার কষ্ট জমা জল মেখে… বরং...

বৃষ্টি ঝরুক

বৃষ্টি ঝরুক

সকাল ফুটেছে, আড়মোড়া ভাঙে পাতারা সময় কাটে না, হিমস্মৃতি; তোমাকে ছাড়া তোমার কাছেই নতজানু হই এখনো তুমি মানে প্রেমে, মোহগ্রস্ত হওয়া যেন। একজীবনে কত প্রেমে আসা- যাওয়া তুমি পালটাও–নিজেকেও বুঝি পালটে নেয়া বোকা সময়ে দুরুদুরু বুকে এখনো হৃদয়ে...

অলক্ষ্যের পাঠ

অলক্ষ্যের পাঠ

আমার অলক্ষ্য তুমি, প্রতিদিন করো নিদ্রাপাঠ যে জীবন ফড়িঙের তাতে চড়াও চিতার কাঠ জ্বলে ও জ্বালায় তারে, মৃতনদী-স্মৃতিদেহ যেন আগুনে ভীষণ পুড়ে সে নদী কাঁদে বুঝি এখনো ভীষণ ইচ্ছার লোভ, আরোকিছু শব্দের আবাদে তোমার ঠোঁটেতে চুমু–খুঁটে খায় ক্লিন্ন...

কোন একদিন

কোন একদিন

অভিন্ন শব্দের পরে আমরা সকলেই চলে যাই অভিন্ন দুয়ারে দরোজায় কড়া নাড়ে সেইসব দুপুর ও অমীমাংসিত কথারা সমস্ত পার্থিব গান—অদেখা সমুদ্রসুর—থাকে অন্ধকারে,দূরলোকে এপিটাফে লেখা থাকে, একদিন সমস্ত গান এখানে পার্থিব ছিল। —সহসা স্বপ্নের মতো সকলেই হয় নদীর...

সৈয়দ সাখাওয়াৎ
সৈয়দ সাখাওয়াৎ

সৈয়দ সাখাওয়াৎ

জন্ম ৮ আগস্ট ১৯৭৮; চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নৃবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর।