একদিন আকাশও জেনে যায় জলেদের কথাবিপুল বৈভব নিয়ে ডুবে যায় বর্তুল পৃথিবীআসে দিন, আসে রাত–আরও গাঢ় এক শূন্যতাকোন এক ঘোরলাগা চোখে দ্যাখা বিমূর্ত সবইতখন নরম ঘাসে ভিজে যায় ভোরের শিশিরপাতাদের গ্লানি যেন ঝরে পড়ে অবাক আলোয়সবকিছু ভেঙে পড়ে একদিন–চির...
খুব কাছে এসে মিলিয়ে গিয়েছে মেরুপথদুজনের যেন ইচ্ছে ছিলো না জানারঅবিরত তবু ছুঁয়ে থাকা শুধু তোমাকেইনিশ্বাসে শুধু কাঁপছে দ্যাখো–দ্বিধার পাহাড় জেগে দ্যাখা তবু দূরে মেঘ কোন সাড়া নেইনদীজলে নাচে বুদবুদ ফোটা মীনেরাচিরঘুম চোখে নেমে আসে যদি অবসাদতুমি...
যেন ছুঁয়ে গ্যাছো কবে, অশান্ত মনের গুঢ় কোণেআদরের স্মৃতি নিয়ে চলে গ্যাছো দূরে–সহজিয়াগানগুলো অবারিত–সহসা যদিবা বেজে ওঠোতোমার অভাব শুনি বৃষ্টিজলে–মেঘের গর্জনে। চোখের পাতায় এসে ভর করে অভাবের ঘুমমাটির গভীরে জমে বিন্দু বিন্দু আলোকের...
স্বপ্ন তার চোখেমুখে ফুটে ওঠে আলোকের মতোমন্থর মেঘের রাতে ঝরে পড়ে ধূমকেতু দূরেমনে পড়ে সন্ধ্যাগান, মানুষের মুখ ইতস্ততযারা চলে যায় হাত ছেড়ে ছায়ার মতো শরীরেকিছু স্বর তবু থেকে যায়, কিছু রাগ-অভিমানকান্না-হাসির মেহেক, শুকিয়ে যাওয়া ফুলগুলোঅথচ স্মৃতিরা...
সৈয়দ সাখাওয়াৎ আজ বৃষ্টিদিন, আজ ধুলোবালিহীন এলোচুলপ্রকাশের মানে জানে, ফুটতে থাকে হৃদয় ফুলনদী যেমন উজানে যায়, তুমিও সন্ধ্যার মুখেবিদায় বলেছি শুধু, বলেছি নীরব দুঃখকে–বরং কিছুটা ক্ষণ, নতুন পৃষ্ঠার মতো করেযতোটা পারি রাঙাই–হৃদয়ের ছেঁদরেখা...
সৈয়দ সাখাওয়াৎ আমাকে বলবে কেউ, তন্দ্রাহীনতার যত কথাঅস্ফুট শব্দের ভার, নীরবে ঝরে পড়ার গল্পসকল অপেক্ষা, মৃদু জীবনের সমস্ত অপ্রাপ্তিবলে সে নির্ভার হবে– আমিও নির্ভার হবো তার–সকল দুখের মতো, সকল আনন্দ ভাগ করেএকদিন ঈশ্বরের মতো পেয়ে যাবো...
সৈয়দ সাখাওয়াৎ আমি যদি এরকম ভুল হয়ে চলে যেতে পারিনীরব মৃত্যুর মতো, ঠিকঠাক সবকিছু থেকেক্রমশ ভুলে যাওয়া স্মৃতি ও গ্লানির কাছাকাছিযেখানে হারিয়ে যায়–ফেলে আসা পায়ের ছাপেরাআরও দূরে, যেখানে প্রবল প্রবল বনস্পতিঅন্ধকার ক্রমাগত যেখানে হয় ভীষণ গাঢ়যত...
সৈয়দ সাখাওয়াৎ কষ্ট চিনতে আমি তোমার কাছে কতবার এসে দাঁড়িয়েছিলামতুমি বললে নদী–আর কালো রাস্তা যেন চলে গ্যাছে বুকের ওপরএকই কষ্ট দু’বার আসে না জীবনে– এ’কথা ভেবেছি প্রায়ইঅথচ, সমগ্র পুড়ে যাওয়া সন্ধ্যার বাতাসে বেজে যায় সেসব...
